গবেষণা

বিজ্ঞাপনগুলোতে স্বনামধন্য ই-কমার্স জায়ান্ট ‘দারাজ’-এর নামে রিমোট চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায়, দারাজের এমন কোনো প্রকল্প নেই।...
বাংলাদেশে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর এই স্ক্যামটির আবির্ভাব হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক...
নির্বাচনী প্রচারণা যত এগিয়েছে, ভুয়া জনমত জরিপ এবং প্রার্থীদের বিকৃত বক্তব্য ব্যবহারের মাধ্যমে কারা এগিয়ে আছে, তা নিয়ে জনমনে ধারণা...
নির্বাচন উপলক্ষ্যে অর্থ প্রদানের দাবি করছে জিয়া পরিবারের সদস্যদের এআই চরিত্র। এটি কি রাজনৈতিক প্রচারণা নাকি আর্থিক প্রতারণা?
নির্বাচনকে সামনে রেখে সামাজিক মাধ্যমজুড়ে বেশ কিছু নির্বাচনী প্রচারণায় শিশুদের ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কী বলছে জাতীয় শিশু নীতি ২০১১?
আগের বছরের তুলনায় ২০২৫ সালে ছড়ানো ভুল তথ্যের পরিমাণ ছিল ৩০ শতাংশ বেশি। যাচাই সংখ্যার বিচারে ২০২৫ সালকে অনায়াসে বলা...
মেটা সকল রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন শনাক্ত করতে এবং ব্যবস্থা নিতে পারছে না। এ ব্যর্থতা মেটার স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থার দুর্বলতাই দেখিয়ে দিচ্ছে।
ভিডিওটির দৃশ্য ও অডিও সম্পাদনা করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। ফলোয়ার ও রিচ বাড়াতে ধর্ষকের উক্তি ব্যবহার করা হয়েছে হ্যাশট্যাগ...
আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের সমালোচনা করে এমন পেজগুলোতে একই ভাষায় নেতিবাচক রিভিউ দিয়ে পেজের ফেসবুক রেটিং কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সামাজিক মাধ্যমে #টিএমডি হ্যাশট্যাগ, সাংকেতিক এবং দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করে ছড়ানো হচ্ছে সাম্প্রদায়িক ও বিদ্বেষের বার্তা।
বাংলাদেশে যেসব বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়, বরাবরই তার শীর্ষে থাকে রাজনীতি। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,...
ডাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থীরা অনলাইনে কীভাবে গালাগালি, বিদ্বেষ ও হয়রানির শিকার হয়েছেন, তা দেখা হয়েছে এ গবেষণায়।
অতীতেও অপপ্রচারের শিকার তাসনিম জারা, তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর দেখা গেছে তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মিথ্যা প্রচারণা।
ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শীর্ষ ব্রোকারেজ সেজে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণা চলছে। ভুয়া অ্যাপ/ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিকাশ-নগদে অর্থ স্থানান্তর চলছে, যা বিএসইসি...
ডিসমিসল্যাবের এই প্রতিবেদনে, মেটার প্লাটফর্মগুলোতে (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রটিকে খতিয়ে দেখা হয়েছে।
অনলাইন থেকে সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় এ ধরনের বেশ কিছু ওয়েবসাইটে অর্থ জমা করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন আরও অনেকে।
“ড. ইউনূসকে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় চাই” - এই স্লোগান ব্যবহার করে নিজেদের প্রচারণা চালাচ্ছে বিভিন্ন অরাজনৈতিক ফেসবুক পেজ।
২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাজনীতি ও ধর্ম সংশ্লিষ্ট ভুল তথ্য ছড়িয়েছে বেশি, যা ছিল মোট ভুলের যথাক্রমে ৪৫% ও ১৩%।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নকল করে সুপরিচিত ব্যক্তিদের নামে ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে প্রতারণামূলক বিনিয়োগ ফাঁদ।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ম্যাগাজিন ইন্টারন্যাশনাল পলিসি ডাইজেস্টে বাংলাদেশ নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক ১০টি নিবন্ধের লেখকই ভুয়া পরিচয়ের।
২০২৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় ইস্যু ঘিরেই সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য - ডিসমিসল্যাব।
সামাজিক মাধ্যমে ডিপফেক ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করে জুয়ার বিজ্ঞাপন এখন আরও বিশ্বাসযোগ্য ও বিপজ্জনকভাবে ছড়ানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত সংশ্লিষ্ট অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মোবাইলে গেম খেলার সময় বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা কীভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপনের মুখে পড়ছেন- তার একটি চিত্র উঠে এসেছে এই গবেষণায়।
২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বেড়েছে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা।
ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কীভাবে পাত্র চাই পোস্টের আড়ালে চলছে বিভিন্ন জুয়ার সাইটের প্রচারণা।
এই বিশ্লেষণে ডিসমিসল্যাব খতিয়ে দেখেছে, পাহাড়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা চার জন থেকে কিভাবে অতিরঞ্জনে একশ জন হল।
বট নেটওয়ার্কটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সরকার বিরোধী দলের ফেসবুক পেজের পোস্টে সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক প্রচারণা চালায়।
ভুল বা অপতথ্য থাকার পরও ভিডিওতে বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে ইউটিউব, ছিল বেটিং সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনও, যা ইউটিউবের নীতিমালা লঙ্ঘন করে।
বাংলাদেশসহ ইউরোপ ও এশিয়ার অন্তত ১৫টি দেশে বহুবিধ স্বাস্থ্যপণ্যের ভুয়া প্রচারণার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ভারতের লোকসভা নির্বাচন ঘিরে ছড়িয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় অপতথ্য, যার বড় অংশজুড়ে ছিল মুসলিম-বিদ্বেষ এবং দেশটির সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার।
১১টি সরকারি ওয়েবসাইটে ৩ হাজারের বেশি বেটিং ওয়েবপেজের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে সক্রিয়ভাবে চারটি বেটিং প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রাজনীতির পালে ভাটা নেমেছে, আর জোয়ার এসেছে খেলা ও ধর্মীয় ভুল তথ্যে।
মাত্র এক দিনেই মেটার অ্যাড লাইব্রেরিতে চার হাজারের বেশি সক্রিয় জুয়ার বিজ্ঞাপন, যেগুলো প্রচার হচ্ছে বাংলাদেশী ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে।
বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্সসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমের লোগো-ব্র্যান্ডিং নকল করে বাংলায় ভিডিও আপলোড করছে ৫৮টি ইউটিউব চ্যানেল।
শিক্ষামূলক বা নিয়োগ সংক্রান্ত ভিডিও দিয়ে যাত্রা, পরবর্তীতে রাজনৈতিক মিথ্যা তথ্য ছড়ানো - তিনটি ইউটিউব চ্যানেলের বিশ্লেষণ।
২০২৩ সালের ১০১টি ভুল তথ্য, যেগুলো যাচাই হওয়া সত্ত্বেও একাধিক বছরে প্রচারিত হয়েছে।
কেমন ছিল ২০২৩ সালে ছড়ানো ভুল ও অপতথ্যের ধরন? ভুয়া খবর ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কোন কোন কৌশল?
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া খবর ও অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে নানা কৌশলে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভুয়া স্ক্রিনশট, ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া কার্ড, লোগো, ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করে রাজনৈতিক অপতথ্য প্রচারের প্রবণতা বেড়েছে।
মেটার রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন শনাক্ত ও এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রয়োগে উল্লেখযোগ্য ত্রুটি ও দূর্বলতার কথা উঠে এসেছে ডিজিটালি রাইটের গবেষণায়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক অপতথ্য প্রচারের প্রবণতা।
সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্ম ফেসবুকে হ্যাকারদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের ব্যবহারকারীরা তাদের পেজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন।
নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য একটি আচরণবিধি তৈরির কিছু মূল নীতিমালা প্রস্তাব করা হয়েছে জাতিসঙ্ঘের এই পলিসি ব্রিফ-এ।
বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও থাম্বনেইল ব্যবহার করে ইউটিউবে প্রকাশিত হচ্ছে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ভুয়া মৃত্যু খবর - ডিসমিসল্যাবের ডেটা-ভিত্তিক বিশ্লেষণ।
২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যে “ব্রেক্সিট ইলেকশন” খ্যাত সাধারণ নির্বাচন চলাকালে কীভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল – তা নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন গবেষকেরা।
মানুষ কেন অনলাইনে ভুল তথ্য বা ফেক নিউজ ছড়ায়? এ নিয়ে গবেষণা করেছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক।
শ্রীলঙ্কাভিত্তিক লার্ন এশিয়ার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ভুয়া তথ্যের ধরন, যাচাই পদ্ধতি ও উদ্যোগের চালচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ভুয়া খবর মোকাবেলায় নাগরিক সমাজের করণীয় কী হতে পারে? উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন ড. জোয়ান ডোনোভান ও তার গবেষক দল।