গবেষণা

নির্বাচন উপলক্ষ্যে অর্থ প্রদানের দাবি করছে জিয়া পরিবারের সদস্যদের এআই চরিত্র। এটি কি রাজনৈতিক প্রচারণা নাকি আর্থিক প্রতারণা?
আগের বছরের তুলনায় ২০২৫ সালে ছড়ানো ভুল তথ্যের পরিমাণ ছিল ৩০ শতাংশ বেশি। যাচাই সংখ্যার বিচারে ২০২৫ সালকে অনায়াসে বলা...
ভিডিওটির দৃশ্য ও অডিও সম্পাদনা করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। ফলোয়ার ও রিচ বাড়াতে ধর্ষকের উক্তি ব্যবহার করা হয়েছে হ্যাশট্যাগ...
গত ৩০ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের "রিভিউ বম্বিং" নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইট ও প্রতিষ্ঠানের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশের পর,...
আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের সমালোচনা করে এমন পেজগুলোতে একই ভাষায় নেতিবাচক রিভিউ দিয়ে পেজের ফেসবুক রেটিং কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সামাজিক মাধ্যমে #টিএমডি হ্যাশট্যাগ, সাংকেতিক এবং দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করে ছড়ানো হচ্ছে সাম্প্রদায়িক ও বিদ্বেষের বার্তা।
বাংলাদেশে যেসব বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়, বরাবরই তার শীর্ষে থাকে রাজনীতি। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,...
ডাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থীরা অনলাইনে কীভাবে গালাগালি, বিদ্বেষ ও হয়রানির শিকার হয়েছেন, তা দেখা হয়েছে এ গবেষণায়।
অতীতেও অপপ্রচারের শিকার তাসনিম জারা, তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর দেখা গেছে তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মিথ্যা প্রচারণা।
ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শীর্ষ ব্রোকারেজ সেজে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণা চলছে। ভুয়া অ্যাপ/ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিকাশ-নগদে অর্থ স্থানান্তর চলছে, যা বিএসইসি...
ডিসমিসল্যাবের এই প্রতিবেদনে, মেটার প্লাটফর্মগুলোতে (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রটিকে খতিয়ে দেখা হয়েছে।
অনলাইন থেকে সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় এ ধরনের বেশ কিছু ওয়েবসাইটে অর্থ জমা করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন আরও অনেকে।
২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাজনীতি ও ধর্ম সংশ্লিষ্ট ভুল তথ্য ছড়িয়েছে বেশি, যা ছিল মোট ভুলের যথাক্রমে ৪৫% ও ১৩%।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত সংশ্লিষ্ট অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মোবাইলে গেম খেলার সময় বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা কীভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপনের মুখে পড়ছেন- তার একটি চিত্র উঠে এসেছে এই গবেষণায়।
২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বেড়েছে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা।
বট নেটওয়ার্কটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সরকার বিরোধী দলের ফেসবুক পেজের পোস্টে সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক প্রচারণা চালায়।
১১টি সরকারি ওয়েবসাইটে ৩ হাজারের বেশি বেটিং ওয়েবপেজের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে সক্রিয়ভাবে চারটি বেটিং প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ভুয়া তথ্যের ফাঁদ ও চরমপন্থায় জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি মানুষের আবেগের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া খবর ও অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে নানা কৌশলে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভুয়া স্ক্রিনশট, ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া কার্ড, লোগো, ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করে রাজনৈতিক অপতথ্য প্রচারের প্রবণতা বেড়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক অপতথ্য প্রচারের প্রবণতা।
ফেসবুকে রাজনৈতিক ভুল তথ্য ছড়ানোর একটি বড় মাধ্যম ছবি সম্বলিত পোস্ট, যদিও এগুলো প্রায়ই গবেষকদের হিসেবের বাইরে থেকে যায়।
রাজনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই) এর ইতিবাচক ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে নেতিবাচক ব্যবহারও। ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার, ভুয়া রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বী...
২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যে “ব্রেক্সিট ইলেকশন” খ্যাত সাধারণ নির্বাচন চলাকালে কীভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল – তা নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন গবেষকেরা।
মাত্র একটি সহজ বিষয় বুঝলেই অনলাইনে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে আসে। তা হলো: তাড়াহুড়ো না করা।
বাস্তবতার সঙ্গে কল্পনা কীভাবে গুলিয়ে যায়– তা বিবেচনায় নিলে আমরা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারব যে, কীভাবে মানুষ এ ধরনের ষড়যন্ত্রে...
মানুষ কেন অনলাইনে ভুল তথ্য বা ফেক নিউজ ছড়ায়? এ নিয়ে গবেষণা করেছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক।
ডিভি লটারি নিয়ে ভুয়া পেজ ও সাইট সক্রিয়, বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়িয়ে ক্লিকবেইটের মাধ্যমে চলছে বিজ্ঞাপন আয়ের ব্যবসা।
প্রকৃতপক্ষে পণ্য বা সেবা কেনার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ভোক্তারা বরাবরই ভুয়া রিভিউ চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়ে থাকেন।
দৈনিক ৮ গ্লাস পানি পান সংক্রান্ত ভিত্তিহীন তথ্যকে সাম্প্রতিক একটি গবেষণার সাথে মিলিয়ে খবর প্রচার করা হচ্ছে যা বিভ্রান্তিকর।
শ্রীলঙ্কাভিত্তিক লার্ন এশিয়ার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ভুয়া তথ্যের ধরন, যাচাই পদ্ধতি ও উদ্যোগের চালচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ভুয়া খবর মোকাবেলায় নাগরিক সমাজের করণীয় কী হতে পারে? উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন ড. জোয়ান ডোনোভান ও তার গবেষক দল।