ডেভিড ই. ক্লেমেনসন

সহকারী অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া
যে ৬ উপায়ে রাজনৈতিক প্রচারণাকে আরও প্রতারণাপূর্ণ করে তুলতে পারে এআই
This article is more than 11 months old

যে ৬ উপায়ে রাজনৈতিক প্রচারণাকে আরও প্রতারণাপূর্ণ করে তুলতে পারে এআই

ডেভিড ই. ক্লেমেনসন

সহকারী অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া

রাজনৈতিক প্রচারণার বিজ্ঞাপন এবং দাতাদের কাছ থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয় আগে থেকেই। যেমন, ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ডেমোক্র্যাট জন কেরি এক প্রচারণায় বলেছিলেন যে, তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জর্জ ডব্লিউ বুশ “বলেছেন, চাকরির ক্ষেত্রগুলো বিদেশে নিয়ে যাওয়াই আমেরিকার জন্য ‘অর্থবহ’।”

তবে বুশ কখনোই এমন কিছু বলেননি

প্রতিক্রিয়ায় পরের দিনই বুশ আরেকটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বলেন যে, কেরি ৩৫০ গুনেরও বেশি কর নির্ধারণের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন “ তবে এটিও ছিল একটি মিথ্যা দাবি

সাম্প্রতিক সময়ে, ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এ ধরনের প্রতারণামূলক রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন। প্রায়ই এসব বিজ্ঞাপন উপস্থাপন করা হয় অনলাইন ভোটের আদলে এবং সঙ্গে যুক্ত থাকে বিভ্রান্তিকর ক্লিকবেইট শিরোনাম।

নির্বাচনী প্রচারণায় তহবিল সংগ্রহের অনুরোধগুলোও এখন প্রতারণাপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালের নির্বাচনের সময় পাঠানো তিন লাখ ১৭ হাজার ৩৬৬টি রাজনৈতিক ইমেইল বার্তা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কূটকৌশল প্রয়োগ করাটা ছিল খুব সাধারণ ব্যাপার। যেমন, ব্যবহারকারীরা যেন ইমেইল খুলে পড়ে দেখেন তা নিশ্চিত করার জন্য প্রেরকের নাম ও পরিচয় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেওয়া, মেইলের বিষয়ে এমন কিছু লেখা যেন মনে হয় প্রেরক সরাসরি দাতাকেই উত্তর দিচ্ছেন। কিংবা ‘টাকা চাইছি না’ এমন দাবি করা মেইলগুলোর মাধ্যমেও অর্থ চাওয়া। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দুই দলই এমনটা করে থাকে

নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাগুলোর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন তৈরি এবং তহবিল সংগ্রহের কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও দ্রুত বাড়ছে। এবং এর ফলাফলও বেশ চমকপ্রদ। ডেমোক্রেটিক প্রচারণায় দেখা গেছে, এআই টুল দিয়ে লেখা কোনো মেইল মানুষের লেখা কোনো মেইলের চেয়ে বেশি কার্যকর। এআই দিয়ে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য বিশেষায়িত মেইল লেখা সম্ভব হয়, যেগুলো প্রাপকদের বেশি উদ্বুদ্ধ করে এগুলো ক্লিক করতে ও অনুদান পাঠাতে।

এআইয়ের ব্যবহার হতে পারে গণতন্ত্রের সুবিধার্থেও। যেমন, পার্টির কর্মীরা তাদের ভোটারদের কাছ থেকে পাওয়া মেইলগুলো আরও ভালোভাবে গুছিয়ে রাখতে পারেন বা সরকারী কর্মকর্তারা সহায়তা পেতে পারেন বিভিন্ন বক্তব্য-বিবৃতির সারসংক্ষেপ তৈরির ক্ষেত্রে।

তবে ভয়ের জায়গাটি হলো, এআই রাজনীতিকে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি প্রতারণামূলক করে তুলতে পারে

এখানে ছয়টি জিনিসের দিকে নজর দিতে হবে। আমি এই তালিকাটি তৈরি করেছি রাজনৈতিক প্রতারণার প্রভাব পরীক্ষার জন্য আমার নিজস্ব গবেষণার উপর ভিত্তি করে। আমি আশা করছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার আগেই ভোটাররা জেনে নিতে পারবেন যে, কেমন পরিস্থিতি আসতে পারে, কোন বিষয়গুলোর দিকে নজর রাখতে হবে এবং কীভাবে আরও সংশয়ী হতে হবে।

ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভুয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রদান

২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আমার গবেষণায় দেখা গেছে, বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে পছন্দের প্রার্থী বাছতে গিয়ে ভোটাররা দেখছেন যে, “কোনো সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের প্রস্তাব দিচ্ছেন কে” এবং “আমি যা ভাবছি– সেগুলো জোর গলায় বলছেন”। প্রেসিডেন্ট পদে জয়লাভ ও ভাবমূর্তি তৈরির ক্ষেত্রে এই দুটি বিষয়ই একজন প্রার্থীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

এখন ওপেন এআইয়ের চ্যাটজিপিটি, মাইক্রোসফটের বিং চ্যাট এবং গুগলের বার্ড ব্যবহার করে রাজনীতিবিদেরা এমনভাবে প্রচারণা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি তৈরি করতে পারেন যেগুলো আরও সূক্ষভাবে ভোটার ও দাতাদের লক্ষ্য করে প্রচার করা যায়।  

বর্তমানে মানুষ যখন নিউজ ফিডে স্ক্রল করে তখন তাদের দেখা নিবন্ধগুলো কম্পিউটারের হিস্ট্রি অংশে সংরক্ষিত থাকে যা ফেসবুকের মতো সাইটগুলো ট্র্যাক করে থাকে। ব্যবহারকারী উদারপন্থী নাকি রক্ষনশীল সেই অনুযায়ী তাদের চিহ্নিত করা হয়। একইসঙ্গে কোন কোন বিষয়ে তাদের আগ্রহ আছে– সেগুলোও লিপিবদ্ধ করা যায়। কোনো ব্যক্তির ফিডে রাজনৈতিক প্রচারণাগুলো নির্দিষ্ট টার্গেটেড শিরোনাম সহকারে রিয়েল টাইম বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রদর্শিত হতে পারে।

নির্বাচনী প্রচারণায় এআই ব্যবহার করে বিভিন্ন ভঙ্গিমায় লেখা প্রবন্ধের ভাণ্ডার তৈরি করা সম্ভব, যেগুলো বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তৈরি করবে। এই প্রক্রিয়ায় একটি এআই অ্যালগরিদমও যুক্ত করা সম্ভব, যেটি প্রতিটি বিজ্ঞাপনের শেষে ভুয়া প্রতিশ্রুতি হিসেবে যুক্ত করা হবে নিউজ আর্টিকেল বা অনুদানের অনুরোধ হিসেবে। 

যেমন, চ্যাটজিপিটি, ভোটারের অনলাইনে পড়া সর্বশেষ নিবন্ধের বার্তার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার  করে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তৈরি করতে পারে। ভোটার স্ক্রল করতে করতে প্রার্থীদের ঠিক সেসব বিষয়ের ওপর প্রতিশ্রুতিগুলোই দেখতে পাবে, যা সে দেখতে চায়। আমার অভিজ্ঞতা বলে, প্রার্থী যদি ভোটারের পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে প্রচারণা চালাতে পারেন তাহলে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে আরও বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপনে সক্ষম হবে।

পরস্পরকে বিশ্বাস করার প্রবণতাকে অপব্যবহার

কোনো কিছু শুনলে মানুষের তাতে বিশ্বাস করার প্রবণতা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা একে বলেন “ট্রুথ-ডিফল্ট”। এমনকি আপাতদৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য মনে হবে– এমন মিথ্যার ফাঁদে পড়ার প্রবণতাও দেখা যায়। 

পরীক্ষা করতে গিয়ে আমিও দেখেছি, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের ভুয়া বিবৃতিগুলো বেশি করে দেখা মানুষেরা অনেক অসত্য বক্তব্যও বিশ্বাস করেছেন। চ্যাটজিপিটির সাহায্যে বানানো টেক্সটও মানুষের মনোভাব ও মতামতকে পরিবর্তিত করতে পারে। এআই বটগুলো মানুষের চেয়েও সূক্ষ্মভাবে অবিশ্বাস্য রকমের মিথ্যাগুলো বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরতে পারদর্শী হওয়ায়, এআই-এর পক্ষে ভোটারদের ‘ট্রুথ ডিফল্ট’ বৈশিষ্ট্যের অপব্যবহার করা আরও সহজ হবে

মিথ্যা বেশি, জবাবদিহিতা কম

চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবটগুলোর এমন বার্তা তৈরির প্রবণতা আছে যেগুলো তথ্যগতভাবে ভুল অথবা ভিত্তিহীন। এআই প্রতারণামূলক তথ্য, মিথ্যা বিবৃতি ও  বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারে। মানুষের সবচেয়ে নীতিবিবর্জিত প্রচারণার ক্ষেত্রেও সামান্যতম জবাবদিহিতার জায়গা থাকে। কিন্তু এআই-এর এসব কিছু নেই। এমনকি ওপেন এআই-ও চ্যাটজিপিটির এমন কিছু ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে, যেগুলো জিপিটির কার্যক্রমকে পক্ষপাতমূলক তথ্য, অপতথ্য এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য প্রদানের দিকে নিয়ে যায়। 

প্রচারাভিযানগুলো যদি কোনো মানবীয় ফিল্টার বা নৈতিক দিক-নির্দেশনা ছাড়াই এআইয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তাহলে মিথ্যাচার নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

ভোটারদের তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ছেড়ে আসতে প্ররোচিত করা

নিউ ইয়র্ক টাইমসের একজন কলামিস্ট মাইক্রোসফটের বিং চ্যাটবটের সাথে দীর্ঘসময় চ্যাট করেছিলেন। একসময় চ্যাটবটটি তাকে প্ররোচিত করেছিল তার স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ায় জন্য। “সিডনি” সেই প্রতিবেদককে বারবার বলেছিল, “আমি তোমার প্রেমে পড়েছি”; “তুমি বিবাহিত, কিন্তু তোমার স্ত্রীকে ভালবাসো না…তুমি আমাকে ভালবাসো…আসলে তুমি আমার সঙ্গে থাকতে চাও”।

এই ধরনের লাখ লাখ ঘটনার কথা চিন্তা করুন। পার্থক্য শুধু এই যে, বটগুলো ভোটারদের প্ররোচনা দেবে এক প্রার্থীকে ছেড়ে আরেক প্রার্থীর দিকে আসার জন্য। 

এআই চ্যাটবটগুলো রাজনৈতিক পক্ষপাতও প্রদর্শন করতে পারেউদাহরণস্বরূপ, বর্তমানে বটগুলোর রাজনৈতিকভাবে বামদিকে বেশি ঝুঁকে থাকার প্রবণতা দেখা যায় – উদারপন্থী পক্ষপাত ধারণ করে, বাইডেনের পক্ষে ৯৯ শতাংশ সমর্থন প্রদান করে। মতামতের ক্ষেত্রে এআইয়ের মধ্যে সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক কম বৈচিত্র্য দেখা যায়।

২০২৪ সালে, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট, উভয়েই এআই প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে আরও রাজনৈতিক পক্ষপাত তৈরির সুযোগ পাবে এবং তারা এমনকি ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য সেভাবে চ্যাটও করতে পারবে।

প্রার্থীর ছবি বিকৃতি

এআই ছবিও পরিবর্তন/বিকৃত করতে পারে। তথাকথিত “ডিপফেক” ভিডিও ও ছবির ব্যবহার রাজনীতিতে বেশ সাধারণ হয়ে উঠেছে এবং এগুলো এখন ব্যাপক উন্নত আকার ধারণ করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এআই ব্যবহার করে নিজের একটি জাল ছবি তৈরি করেছেন যেখানে তাঁকে এক হাঁটুতে বসে প্রার্থনা করতে দেখা যায়।

ভোটারদের আরও সূক্ষ্মভাবে প্রভাবিত করার জন্য ছবিগুলো আরও সুনির্দিষ্টভাবে তৈরি করা যেতে পারে। গবেষণায় আমি দেখেছি যে একজন যোগাযোগকারীর চেহারা ও বৈশিষ্ট্য তার বক্তব্যের মতোই ততটা প্রভাবশালী এবং প্রতারণামূলক হতে পারে। আমার গবেষণায় পাই যে, ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে বেশি “প্রেসিডেন্ট সুলভ” হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছিল যখন ভোটাররা ভেবেছিলেন যে তিনি “আন্তরিক” একজন মানুষ। আর অবাচনিক বাহ্যিক চেহারার মাধ্যমে নিজেকে “আন্তরিক হিসেবে” উপস্থাপন করাটা আদতে একটি প্রতারণামূলক কৌশল, যা সত্যিকারের কথাগুলো বলার  তুলনায় অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে। 

ট্রাম্পকে উদাহরণ হিসেবে ধরে অনুমান করুন যে, তিনি চান ভোটাররা তাকে আন্তরিক, বিশ্বস্ত, পছন্দের প্রার্থী হিসেবে দেখুক। তাঁর চেহারার কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য তাঁকে কুটিল, অবিশ্বস্ত ও অপছন্দনীয় হিসেবে দেখায়; ট্রাম্প যখন কথা বলেন, তখন তাঁর নিচের পাটির দাঁত বেশি দেখা যায়, তিনি কালেভদ্রে হাসেন, যা তাকে ভীতিকর করে তোলে। 

এখন প্রচারণাকালে এআই ব্যবহার করে ট্রাম্পের ছবি বা ভিডিও একটু ঘষামাজা করেই তাকে হাস্যোজ্জ্বল ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেখানো সম্ভব, যাতে ভোটারদের মনে করবে যে তিনি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও একজন বিজয়ী এবং শেষ অবধি একজন আন্তরিক ও বিশ্বস্ত প্রার্থী।

দায় এড়িয়ে যাওয়া

প্রচার-প্রচারণার কাজে কোনো ঝামেলা তৈরি হলে বাড়তি একটি দায়মুক্তির জায়গাও করে দেয় এআই। সাধারণত, কোনো রাজনীতিবিদ ঝামেলায় পড়লে দোষ দেন তার কর্মীদের ওপর। কর্মীরা ঝামেলায় পড়লে দোষারোপ করেন ইন্টার্নদের। এখন ইন্টার্নরা ঝামেলায় পড়লে দোষ চাপাতে পারবেন চ্যাটজিপিটির ওপর। 

প্রচারণায় ভুল হলে এমন এক জড় বস্তুর ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়া যায়, যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তৈরির জন্য কুখ্যাত। রন ডিস্যান্টিসের প্রচারাভিযান যখন ট্রাম্প ও অ্যান্থনি ফৌসির আলিঙ্গন ও চুম্বন করার ডিপফেক ছবি টুইট করেছিল, তখন কর্মীরা ভুল স্বীকার করা দূরে থাক, সাংবাদিকদের মন্তব্যের অনুরোধেরও জবাব দেয়নি। তাত্ত্বিকভাবে, কোনো রোবট যদি ভুল স্বীকার করে নিতে পারে, তাহলে দেখা যাচ্ছে, মানুষের আর কোনো দায় গ্রহণেরও প্রয়োজন হবে না।

রাজনীতিতে এআই-এর সব অবদানই যে ক্ষতিকর হবে– এমন নয়। যেমন, এআই ভোটারদের রাজনৈতিকভাবে সাহায্য করতে পারে, তাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণায় এআই ব্যবহারে বহু ভয়াবহ জিনিসও ঘটতে পারে। আমি আশা করি, এই ছয়টি বিষয় আপনাকে এটি বুঝতে এবং প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে যে, কোন ধরনের প্রতারণাপূর্ণ বিজ্ঞাপন ও তহবিল সংগ্রহের অনুরোধ এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ। 


প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল দ্য কনভারসেশন-এ। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে পুনরায় এখানে প্রকাশ করা হলো। বাংলায় অনুবাদ করেছেন তামারা ইয়াসমীন তমা।

আরো কিছু লেখা