ভুল তথ্য

একাধিক গণমাধ্যমে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একুশে ফেব্রুয়ারি ও মে দিবসসহ কিছু ধর্মীয় ছুটি বাতিলের দাবি; ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়—দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
বাংলাদেশে যেসব বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়, বরাবরই তার শীর্ষে থাকে রাজনীতি। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,...
২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাজনীতি ও ধর্ম সংশ্লিষ্ট ভুল তথ্য ছড়িয়েছে বেশি, যা ছিল মোট ভুলের যথাক্রমে ৪৫% ও ১৩%।
২০২৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় ইস্যু ঘিরেই সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য - ডিসমিসল্যাব।
ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হতে পারে যেকোনো বিষয়ে। কিন্তু কেন মানুষ মিথ্যা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বিশ্বাস করে এবং কীভাবে যাচাই করবেন?
ভুল বা অপতথ্য থাকার পরও ভিডিওতে বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে ইউটিউব, ছিল বেটিং সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনও, যা ইউটিউবের নীতিমালা লঙ্ঘন করে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক অপতথ্য প্রচারের প্রবণতা।
ফেসবুকে রাজনৈতিক ভুল তথ্য ছড়ানোর একটি বড় মাধ্যম ছবি সম্বলিত পোস্ট, যদিও এগুলো প্রায়ই গবেষকদের হিসেবের বাইরে থেকে যায়।
২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যে “ব্রেক্সিট ইলেকশন” খ্যাত সাধারণ নির্বাচন চলাকালে কীভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল – তা নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন গবেষকেরা।
মানুষ কেন অনলাইনে ভুল তথ্য বা ফেক নিউজ ছড়ায়? এ নিয়ে গবেষণা করেছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক।
সয়াবিন তেল নিয়ে মিথ্যা দাবি, ভুল তথ্যের ব্যবহার করা হয়েছে পণ্যের প্রচারে, বিজ্ঞাপনে। বিভ্রান্তির মুখে পড়েছেন অনেকে, এমনকি নীতিনির্ধারকও।
চকলেট তৈরিতে তেলাপোকা ব্যবহার - একাধিক বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে প্রচারিত এই দাবিটি ভুল।
শ্রীলঙ্কাভিত্তিক লার্ন এশিয়ার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ভুয়া তথ্যের ধরন, যাচাই পদ্ধতি ও উদ্যোগের চালচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।