মোহাম্মদ আল মুকিত

ফেলো, ডিসমিসল্যাব
কীভাবে বুঝবেন সাম্প্রতিক মিছিল বললেও ছড়ানো ভিডিওটি আসলে পুরোনো

কীভাবে বুঝবেন সাম্প্রতিক মিছিল বললেও ছড়ানো ভিডিওটি আসলে পুরোনো

মোহাম্মদ আল মুকিত

ফেলো, ডিসমিসল্যাব

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান, অনেকেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে।

এর মধ্যেও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু কর্মসূচি (,,) আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। সেগুলো কখনো বড় আকার নিতে পারেনি। তবে সামাজিক মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র দেখা যায়। আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সাম্প্রতিক মিছিলের দাবিতে অনেক ভিডিও প্রতিনিয়ত নিউজফিডে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। ছড়ানো এসব ভিডিওতে বিপুল জনসমাগমও দেখা যায়।

তবে ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রচারিত এসব ভিডিও সাম্প্রতিক নয়। ছড়ানো এসব ভিডিও হয় ভিন্ন কোনো সংগঠনের, নয়তো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন কোনো কর্মসূচির।

সাম্প্রতিক দাবিতে ছড়ানো এসব পুরোনো ভিডিও মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এ ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে সচেতনতার বিকল্প নেই। এবং সচেতনতা বাড়াতে সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভর না করে, একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ভিডিও ১

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিয়মিত বিভ্রান্তিকর দাবির ভিডিও প্রচার করে, এমন একটি অ্যাকাউন্ট হলো ‘RB GaZi’। প্রায় ১৪ হাজার অনুসারীর এই অ্যাকাউন্টটি ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি তৈরি করা হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই এই অ্যাকাউন্ট থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের দৃশ্য দাবিতে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। প্রচারিত ভিডিওতে ‘‘বুঝে গেছে জনগণ, শেখ হাসিনার প্রয়োজন’’, ‘‘সারা বাংলায় হাহাকার, শেখ হাসিনা দরকার’’ স্লোগান শোনা যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা, ‘‘আজ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে মিছিল হয়েছে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।” এ প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত ভিডিওটি ৯১ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে নয়শ বার শেয়ার করা হয়েছে।

কীভাবে বুঝবেন সাম্প্রতিক মিছিল বললেও ছড়ানো ভিডিওটি আসলে পুরোনো
আওয়ামী লীগের মিছিলের দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর স্ক্রিনশট।

ফেসবুকের একাধিক ব্যক্তিগত প্রোফাইল ও পেজ (১,,) থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

ভিডিও থেকে কিফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে Mk Raj Khan -3 নামের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত ভিডিওটির বর্ণনায় লেখা, “আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে কার্যালয় ভে‘ঙ্গে ফেলার স্লোগান।” এই ভিডিওর সাথে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। উভয় ভিডিওতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবেরকে একই টিশার্ট পরে থাকতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে “খুনি লীগের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, গুড়িয়ে দাও”- এ ধরনের আওয়ামী লীগবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়, শেখ হাসিনার পক্ষে কোনো স্লোগান দেওয়া হয়নি সেখানে।

অধিকতর যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড সার্চ করলে সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা বাজার’ এর ফেসবুক পেজে “আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ” লেখা একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বরে প্রচারিত উক্ত ভিডিওর সমাবেশে থাকা ব্যক্তিবর্গ, পারিপার্শ্বিক দৃশ্য এবং কার্যক্রমের সাথে আলোচিত দাবির ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। অনুসন্ধানে কোনো ভিডিওতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি। অর্থাৎ, ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভের একটি পুরানো ভিডিও থেকে মূল অডিও সরিয়ে সম্পাদনার মাধ্যমে ভিন্ন স্লোগান যুক্ত করা হয়েছে।

কীভাবে বুঝবেন সাম্প্রতিক মিছিল বললেও ছড়ানো ভিডিওটি আসলে পুরোনো
আওয়ামী লীগের নয়, এটি ছিল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল।

ভিডিও ২

একই অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ আগস্ট প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মিছিলে “শেখ হাসিনা”, “যুবলীগ” স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। মিছিলের সম্মুখ অংশে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে দেখা যায়। পোস্টে লেখা ছিল, ‘‘৪ তারিখে সকালবেলা মিরপুর এক নাম্বার যুবলীগের অনেক বড় মিছিল হয়েছে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’’ প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত ভিডিওটি ৪৪ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক বার শেয়ার করা হয়েছে।

যুবলীগের সাম্প্রতিক মিছিলের দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর স্ক্রিনশট।

ফেসবুকের একাধিক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট (,,) থেকে ভিডিওটি পোস্ট হতে দেখা যায়।

ভিডিও থেকে কিফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে R Media Center নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ভিডিওটির বর্ণনায় লেখা, “শ্যামলীতে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল।” ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সাথে এই ভিডিওর ব্যক্তি, পোশাক ও পারিপার্শ্বিক দৃশ্য হুবহু মিলে যায়।

অধিকতর অনুসন্ধানে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড সার্চে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠে দেশব্যাপী দেশবিরোধী বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের নির্দেশে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর আহ্বানে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।” প্রতিবেদনে সংযুক্ত ছবিতে থাকা ব্যক্তি ও পারিপার্শ্বিক দৃশ্যের সঙ্গে ছড়ানো ভিডিওর দৃশ্য মিলে যায়। 

অর্থাৎ, ২০২২ সালের যুবলীগের পুরোনো মিছিলের ভিডিওকে সাম্প্রতিক দাবিতে ছড়ানো হয়েছে। 

ভিডিও ৩

এই অ্যাকাউন্ট থেকে গত ৫ আগস্ট আরেকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। এই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, “আজ ঢাকা যাত্রাবাড়ীতে ৫ই আগস্টের উপলক্ষে আওয়ামী লীগের মিছিল হয়েছে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।” ভিডিওতে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের “শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই”, “জয় বাংলা”, “তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি” স্লোগান দিতে শোনা যায়। প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত ভিডিওটি ৪১ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে আটশ বার শেয়ার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক মিছিলের দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর স্ক্রিনশট।

ফেসবুকের একাধিক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে (,,) থেকে ভিডিওটি পোস্ট হতে দেখা যায়।

ভিডিও থেকে কিফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে Sultan Ahmed নামের একটি প্রোফাইল থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট প্রকাশিত ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজ পথ ছাড়ি নাই।” উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওটির সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।

অধিকতর যাচাইয়ে Bangladesh Awami League Official নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট প্রকাশিত ভিডিওটির শিরোনামে লেখা, ‘‘চট্টগ্রাম-এ ছাত্র জনতার মিছিল ‘আমার দেশ আমার মা পাকিস্তান, আফগানিস্তান হবে না’।’’ এই ভিডিওর মিছিলের দৃশ্যের ব্যক্তি, পারিপার্শ্বিক দৃশ্য ও স্লোগানের সাথে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল রয়েছে। অর্থাৎ, ২০২৪ সালের মিছিলের ভিডিওকে সাম্প্রতিক মিছিলের দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত মূল ভিডিও স্ক্রিনশট।

এছাড়া, গত ১০ আগস্ট একই অ্যাকাউন্ট থেকে সাম্প্রতিক দাবিতে আরও দুইটি (,) ভিডিও ছড়ানো হয়। ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, উভয় ভিডিও ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছে (,)।  

কেন ছড়ানো হয় এসব ভিডিও?

মানুষ সাধারণত সেটাই সহজে গ্রহণ করে, যা তার বিশ্বাস ও মতাদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রবণতার কারণে এ ধরনের ভিডিও আওয়ামী লীগের সক্রিয়তা সম্পর্কে দলটির কর্মী-সমর্থকদের কাছে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। এ ধরনের ভিডিও সংগঠনটি এখনো সক্রিয়, এমন ধারণা তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।

পাশাপাশি ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদমও এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিয়ে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম উত্তেজক কনটেন্টকে বেশি প্রাধান্য দেয়। ফলে এ ধরনের নাটকীয় দাবির ভিডিওর বেশি ভিউ, শেয়ার ও এনগেজমেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন ‘সাফল্য’ অ্যাকাউন্টগুলোকে বারবার একই কৌশল প্রয়োগে উৎসাহিত করে।

সাম্প্রতিক দাবিতে ছড়ানো ভিডিও শনাক্তের উপায়

সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া দাবির ভিডিও শনাক্ত করতে জটিল কোনো প্রযুক্তি জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। সচেতন ও সতর্ক দৃষ্টি রাখলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা খুব সহজে ভিডিওর সত্যতা ধরে ফেলতে পারেন। কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক-এর প্রকাশিত নিবন্ধে ভিডিও যাচাই করার সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।

  • প্রথমত, ভিডিওতে থাকা মানুষদের পোশাক ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যেকোনো ভিডিও পোস্ট হওয়ার সময় সে অঞ্চলের তৎকালীন আবহাওয়ার সঙ্গে ভিডিওতে দৃশ্যমান মানুষের পোশাক মিলিয়ে দেখা জরুরি। তীব্র গরমের দিনে প্রচারিত কোনো ভিডিওতে যদি মিছিলের অংশগ্রহণকারীদের গায়ে ভারী সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর দেখা যায়, তবে ধরে নেওয়া যায়, সেটি শীতকালের পুরোনো ভিডিও।
  • দ্বিতীয়ত, মিছিলে থাকা ব্যানার, পোস্টার ও ব্যাকগ্রাউন্ডের সাইনবোর্ডগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ভিডিওটি থামিয়ে সামনের সারির ব্যানার ও আশেপাশের বিলবোর্ডে নজর দিলে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ব্যানারে যদি কোনো নির্দিষ্ট বর্ষের উল্লেখ থাকে, যেমন- ‘বার্ষিক সম্মেলন ২০২২’, কোনো বিশেষ দিবস অথবা প্রয়াত কোনো নেতার দৃশ্য থাকে, তবে তা ভিডিওটির পুরোনো হওয়ার প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
  • তৃতীয়ত, অডিও এবং ঠোঁটের নাড়াচাড়ার সামঞ্জস্য হয়েছে কি না খেয়াল করতে হবে। অনেক সময় পুরোনো ভিডিওর অডিও সম্পাদনা করে নতুন কোনো স্লোগানের অডিও বসিয়ে দেওয়া হয়। 
  • চতুর্থত, মূলধারার সংবাদমাধ্যম উক্ত বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রচারিত হয়েছে কি না, তা যাচাই করা। সত্যিই যদি বিশাল কোনো মিছিল হয়, তবে দেশের টিভি চ্যানেল ও জাতীয় দৈনিকগুলোতে সংবাদ হওয়ার কথা। সামাজিক মাধ্যমে মিছিলের দাবি করা হলেও কোনো প্রথম সারির বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমে যদি সে মিছিলের উল্লেখ পাওয়া না যায়, তবে ধরে নিতে হবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ভুয়া।
  • সর্বশেষ, রিভার্স ইমেজ সার্চের ব্যবহার। ভিডিওর সবচেয়ে স্পষ্ট ফ্রেমের স্ক্রিনশট নিয়ে স্মার্টফোনের ‘গুগল লেন্স’ অ্যাপে সার্চ করলে, সেই ছবিটির আসল উৎস বের করে দেয়। এর মাধ্যমে ভিডিও বা ছবিটি প্রথম কখন, কে এবং কোন প্রেক্ষাপটে ইন্টারনেটে আপলোড করা হয়েছিল তা জেনে নেওয়া সম্ভব।

আরো কিছু লেখা