সুদেষ্ণা মহাজন অর্পা

রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, ডিসমিসল্যাব
ফ্যাক্ট চেক ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা কেন্দ্র করে গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি

ডাকসু নেতাদের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি

সুদেষ্ণা মহাজন অর্পা

রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, ডিসমিসল্যাব

রাজধানীর শাহবাগ থানায় গতকাল, ২৩ এপ্রিল ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় কালের কণ্ঠ এবং আমার দেশ পত্রিকার নামে একাধিক ফটোকার্ড সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। সবগুলো ফটোকার্ডেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাকে জড়িয়ে নানা অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া।

ফটোকার্ডগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে গণমাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ডিসমিসল্যাবকে নিশ্চিত করেন, এমন কোনো ফটোকার্ড বা কার্ডের শিরোনামের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো খবর তারা প্রকাশ করেননি।

বিএনপিকে একাই দেখে নেবেন ডাকসু নেত্রী দাবি করে কালের কণ্ঠের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার

ফেসবুকে একটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে আজ ২৪ এপ্রিল সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠের লোগো যুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। কার্ডে ডাকসু সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং মুসাদ্দিক আলীর ছবি সংযুক্ত করা। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, “ঝুমা বৌদি ক্ষেপে গেছে 😁” ফটোকার্ডের শিরোনামে লেখা, “বিএনপিকে একাই দেখে নিবে জুমা”  ফটোকার্ডের উপরে ডানে কালের কণ্ঠের লোগো, বামে তারিখ হিসেবে “২৩ এপ্রিল ২০২৬” উল্লেখ করা রয়েছে। ফটোকার্ডের নিচে একপাশে লেখা, “বিস্তারিত লিংক” এবং অন্যপাশে সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া রয়েছে।

ফ্যাক্ট চেক ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা কেন্দ্র করে গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি
কালের কণ্ঠের নামে প্রচার করা ভুয়া ফটোকার্ড।

ফটোকার্ডের সত্যতা নিশ্চিত করতে কালের কণ্ঠের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত ২৩ এপ্রিলের সব ফটোকার্ড ও পোস্টগুলো যাচাই করে দেখে ডিসমিসল্যাব। নির্দিষ্ট এই তারিখে এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদনের লিংক সংবাদমাধ্যমের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া গণমাধ্যমটির আসল ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ফন্ট এবং লেখা আকারও প্রচারিত ফটোকার্ডের থেকে ভিন্ন। তবে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ যাচাইয়ে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল একই ছবিযুক্ত একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হতে দেখা যায়। সেই ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “জুমার সঙ্গে থানা থেকে বের হলেন মুসাদ্দিক”।

এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে সংবাদমাধ্যমটির সাথে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব। কালের কণ্ঠের কনসালট্যান্ট (অনলাইন ইনচার্জ) সঞ্জয় দে ডিসমিসল্যাবকে নিশ্চিত করেন, এই ফটোকার্ডটি তাদের নয়। তিনি আরও জানান, এমন কোনো প্রতিবেদনও সংবাদমাধ্যমটি পোস্ট করেনি। 

অর্থাৎ, বিএনপিকে একাই দেখে নেওয়ার প্রসঙ্গে ডাকসু নেত্রী জুমার মন্তব্যযুক্ত ফটোকার্ডটি ভুয়া।

ডাকসু নেতাদের নাম জড়িয়ে আমার দেশের নামে ছড়াচ্ছে একাধিক ভুয়া ফটোকার্ড

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী বলেছেন, শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রদলের সাথে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের সময় মুসাদ্দিক আলীকে ফেলে পালিয়ে গেছেন আরেক ডাকসু নেতা যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের)। ফেসবুকে ছড়ানো আমার দেশ পত্রিকার লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ডে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ড আমার দেশ প্রকাশ করেনি।

ফেসবুকে ‘ডেইলি আমাদের দেশ’ নামের একটি পেজ থেকে গত ২৩ এপ্রিল ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলীর ছবিযুক্ত ফটোকার্ডটি পোস্ট করা হয়। কার্ডের শিরোনামে লেখা, “ছাত্রদল আমাকে পেটানোর সময় এবি জোবায়ের আমাকে রেখে পালিয়েছে।” (বানান অপরিবর্তিত)। কার্ডের উপরে আমার দেশ পত্রিকার লোগো এবং কিউআর কোড দেওয়া রয়েছে। এছাড়া কার্ডের নিচে বামপাশে সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটের ঠিকানা উল্লেখ করা। অন্য পাশে তারিখ হিসেবে “২৩ এপ্রিল ২০২৬” লেখা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফটোকার্ডটি ২২১ বার শেয়ার করা হয়েছে, প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে ৯ হাজার ৭০০র অধিক। ব্যবহারকারীরা মন্তব্য করেছেন ৪৫১টি। মন্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অনেকেই শিরোনামটিকে সত্য বলে ধরে নিয়েছেন এবং নিজের মতামত দিয়েছেন। ব্যবহারকারীদের মধ্যে একজন মন্তব্যে লেখেন, “বিপদে পড়লে কেউরে কেউ চিনা” আরেকজন লেখেন, “গুপ্ত তো তাই” (বানান অপরিবর্তিত)।

ফ্যাক্ট চেক ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা কেন্দ্র করে গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি
আমার দেশের নামে ছড়ানো ভুয়া ফটোকার্ড।

ফটোকার্ডের সত্যতা যাচাই করতে ডিসমিসল্যাব ‘আমার দেশ পত্রিকা’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ২৩ এপ্রিলের সব পোস্ট ও ফটোকার্ড পর্যবেক্ষণ করেছে। কিন্তু সেখানে এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড বা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এছাড়াও পত্রিকাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন বা তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

অন্যদিকে, ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ দিলে প্রথম আলোতে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২২ এপ্রিল, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। সেখানে তিনি ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মুসাদ্দিককে হেনস্তা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির দৃশ্যপটের সঙ্গে কার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি হুবহু সাদৃশ্য রয়েছে। 

একই পেজ থেকে পোস্ট হওয়া ভিন্ন একটি ফটোকার্ডে অশালীন কার্যক্রমের সময় ফার্মগেট ফ্লাইওভার থেকে যুবক- যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন দাবি দেখা যায়। তবে ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ডও আমার দেশ প্রকাশ করেনি।

ফেসবুকে একই পেজ থেকে গত ২৩ এপ্রিল ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক এবং জুমার ছবি সম্বলিত ফটোকার্ডটি ছড়িয়ে পড়ে। আমার দেশ পত্রিকার অনুকরণে বানানো সেই ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা “অ’শালীন কার্যক্রমের সময় ফার্মগেট ফ্লাইওভার থেকে যুবক যুবতী গ্রে’ফতার( বানান অপরিবর্তিত)।

ফ্যাক্ট চেক ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা কেন্দ্র করে গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি
আমার দেশের নামে ছড়ানো ভুয়া ফটোকার্ড।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত ফটোকার্ডটি ৬০ বারের অধিক শেয়ার করা হয়েছে এবং পোস্টের ৪ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য করা হয়েছে ১১১টি। কার্ডের উপরে আমার দেশ পত্রিকার লোগো দেওয়া এবং কিউআর স্ক্যানার কোড দেওয়া আছে। এছাড়া নিচের একপাশে পত্রিকার ওয়েবসাইটের ঠিকানা এবং অপরপাশে “২৪ এপ্রিল ২০২৬” তারিখ দেওয়া। 

ফটোকার্ডের সত্যতা নিশ্চিত করতে, এই প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত প্রকাশিত আমার দেশ পত্রিকার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ২৪ এপ্রিলের সব ফটোকার্ড ও পোস্টগুলো যাচাই করে দেখে ডিসমিসল্যাব। তবে এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড বা খবর সংবাদমাধ্যমটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও এ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ নেই।

এই ফটোকার্ডের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রচারিত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখে ডিসমিসল্যাব। সার্চে বাংলাদেশ টাইমসসহ একাধিক গণমাধ্যমে ছবিটি পাওয়া যায়। বাংলাদেশ টাইমসের গত ২৩ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, “জুমার সঙ্গে থানা থেকে বের হলেন মুসাদ্দিক”। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, “শাহবাগ থানার ভেতর ঢুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানার ভেতরে মুসাদ্দিকসহ ঢাকসুর আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও আটকা পড়েন। পরবর্তীতে ডাকসু নেত্রী জুমার সঙ্গে থানা থেকে বের হন মুসাদ্দিক।”

একটি ফেসবুক পেজ থেকে ডাকসু নেতা মুসাদ্দিকের ভাঙা দাঁতগুলো জুলাই জাদুঘরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস- এমন বার্তা দিয়ে ফেসবুকে আমার দেশ পত্রিকার লোগোযুক্ত আরেকটি ফটোকার্ডটি ছড়ানো হয়েছে। তবে ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ড সংবাদমাধ্যমটি প্রকাশ করেনি।

ফেসবুকে একটি পেজ থেকে আজ ২৪ এপ্রিল ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছবি সম্বলিত ফটোকার্ডটি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুসাদ্দিক আলী তার দুইটি ভাঙা দাঁত হাতে নিয়ে ছবি তুলেছেন। আমার দেশ পত্রিকার আদলে বানানো সেই ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “মুসাদ্দিকের দাঁত গুলো জুলাই জাদুঘরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনুস” (বানান অপরিবর্তিত)। ফটোকার্ডের ওপরে মাঝখানে সংবাদমাধ্যমটির লোগো এবং ডানে একটি কিউআর কোড দেওয়া আছে। এছাড়া, নিচের একপাশে পত্রিকার ওয়েবসাইটের ঠিকানা এবং অপরপাশে “২৪ এপ্রিল ২০২৬” তারিখ উল্লেখ করা। এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত ফটোকার্ডটি ৩০ বারের অধিক শেয়ার করা হয়েছে এবং পোস্টের সাড়ে ৬০০-র বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। 

আমার দেশের নামে ছড়ানো ভুয়া ফটোকার্ড।

ফটোকার্ডের সত্যতা নিশ্চিত করতে, এই প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত প্রকাশিত আমার দেশ পত্রিকার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের ২৪ এপ্রিলের সব ফটোকার্ড ও পোস্টগুলো যাচাই করে দেখে ডিসমিসল্যাব। তবে, এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড বা খবর সংবাদমাধ্যমের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটেও এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বা প্রতিবেদন নেই।

ফটোকার্ডে থাকা মুসাদ্দিকের ছবিটি আগের মতো একইভাবে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখে ডিসমিসল্যাব। তবে এমন কোনো ছবির সন্ধান মেলেনি। অন্যদিকে, প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড সার্চেও কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র বা গণমাধ্যমের বরাতে এই ডাকসুর নেতার দাঁত ভেঙে যাওয়ার কোনো তথ্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এছাড়া, সংবাদমাধ্যমে ঘটনা পরবর্তী প্রকাশিত ভিডিওতে মুসাদ্দিকের দাঁত দেখা গেছে। 

অধিকতর নিশ্চয়তার জন্য ছবিটি গুগলের এআই শনাক্তকরণ টুল সিন্থআইডিতে পরীক্ষা করা হয়। সিন্থআইডি জানায়, ছবিটি গুগলের এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বানানো বা সম্পাদিত।

সিন্থআইডির বিশ্লেষণ।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ৩টি ফটোকার্ডের ব্যাপারে সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমার দেশ পত্রিকার সাথে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব। আমার দেশের সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনাম ডিসমিসল্যাবকে নিশ্চিত করেছেন, প্রচারিত ফটোকার্ডগুলোর কোনোটিই আমার দেশ পত্রিকার নয়।

অর্থাৎ, আমার দেশের নামে ভুয়া শিরোনামের একাধিক ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। ইতঃপূর্বেও আমার দেশের নামে এমন ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে উঠে আসে।

প্রসঙ্গত, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির প্যানেলের সদস্য প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের আইডি থেকে জাইমা রহমানের নামে কুরুচিপূর্ণ একটি পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়ানোর অভিযোগে ২৩ এপ্রিল রাজধানীর শাহবাগ থানায় উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় ডাকসুর নেতা জুবায়ের বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে

আরো কিছু লেখা