ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. ইউনূসের আমলের বকেয়া পরিশোধে রিজার্ভ অর্ধেকে নামবে— এমন দাবিতে কালবেলার নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া; ফ্যাক্টচেকে এমন প্রকাশের প্রমাণ মেলেনি।
স্যাটায়ার পেজের একটি ফটোকার্ডে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে ভোটকেন্দ্রে গুলি করার নির্দেশের দাবি ছড়ানো হয়, যা যাচাইয়ে ভুয়া...
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ছবিটি এআই দিয়ে বানানো।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার ভিডিওটি যাচাইয়ে যা জানা যায়।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে ইসরায়েল থেকে একটি পুরস্কার পেয়ে সেটি ইউনেস্কোর বলে চালিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা...
সামাজিক মাধ্যমে ডিপফেক ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করে জুয়ার বিজ্ঞাপন এখন আরও বিশ্বাসযোগ্য ও বিপজ্জনকভাবে ছড়ানো হচ্ছে।
২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বেড়েছে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা।
মিথ্যা দাবির এই ভিডিওগুলো এখন ছড়ানো হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইল থেকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা হিসেবে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের দাবিতে পিটিশনের নামে একটি ক্ষতিকর লিংক পোস্ট হচ্ছে ফেসবুকে...
ড. ইউনূসকে নিয়ে রাশিয়ার আপত্তির খবরটি ভুয়া বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে অবস্থিত রাশিয়া দূতাবাস
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ড. ইউনূসকে জড়িয়ে একাধিক অপতথ্য ছড়িয়েছে ফেসবুকে। এসব অপতথ্যের সঙ্গে তাকে জড়িয়ে ধর্মীয় রঙে মিথ্যা তথ্য...
“এখন থেকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হতে হলে মাস্টার্স পাস হতে হবে” এমন একটি উক্তি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে (১, ২,...
ড. ইউনূসকে জড়িয়ে কালের কণ্ঠের লোগো ব্যবহার করে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারিত হয়েছে ফেসবুকে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নাস ডেইলি-খ্যাত ভ্লগার নুসাইর ইয়াসিনকে নিয়ে ভুয়া তথ্য প্রচারিত হতে দেখা গেছে ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বক্তব্য সম্বলিত ছবি পোস্ট করা হচ্ছে। কিন্তু তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।