তাসনিম তাবাস্সুম মুনমুন

ফেলো, ডিসমিসল্যাব
Fact-check report: Due to errors in Fox News and Reuters coverage, claims spread that the United States suspended all types of visas for 75 countries including Bangladesh; verification shows only immigrant visas were suspended, not all visa categories.

মার্কিন ভিসা নিয়ে বিভ্রান্তি

ফক্স নিউজ ও রয়টার্সের ভুল, যাচাই করেনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমও

তাসনিম তাবাস্সুম মুনমুন

ফেলো, ডিসমিসল্যাব

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের ভিসা স্থগিত করছে বলে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশের অন্তত ৩১টি গণমাধ্যম। তবে ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই ৭৫টি দেশের জন্য শুধু ইমিগ্র্যান্ট (অভিবাসী) ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে, সব ধরনের ভিসা নয়। আর বাংলাদেশি গণমাধ্যমগুলোর এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ায় ভূমিকা ছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজেরও।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে সূত্র ধরে যুগান্তর শিরোনামে লিখেছে, “বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র”। একই সূত্রের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আরও একাধিক গণমাধ্যম (, , , )। কালবেলার প্রতিবেদনের শিরোনাম, “৭৫ দেশের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র”।

আরটিভি তাদের শিরোনামে লিখেছে, “বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা বন্ধের ঘোষণা।” একই শিরোনাম করেছে দৈনিক সংগ্রাম। ফক্স নিউজের পাশাপাশি রয়টার্সকে সূত্র ধরে “সব ধরনের” মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত-এর দাবিতে শিরোনাম করেছে বাংলাদেশ টাইমসসবার দেশ। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ফক্স নিউজকে সূত্র ধরে দ্য ডেইলি স্টার লিখেছে, “স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র বুধবার জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য সকল প্রকার ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করছে।” একই সূত্রের ভিত্তিতে অভিন্ন দাবিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে একাত্তর টিভি, বাংলা ট্রিবিউন, আজকের পত্রিকা, আমাদেরসময়. কম সহ একাধিক গণমাধ্যম (, )। 

একইভাবে শিরোনামে ভিসার ধরন উল্লেখ না করে ঢাকা পোস্ট মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে লিখেছে, “বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া পুরোপুরি স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নির্দেশনার ফলে এসব দেশের মানুষ আর মার্কিন ভিসা পাবেন না।”

একই সূত্রে প্রতিবেদনে পুরোপুরি একই দাবি করেছে সময়। ফক্স নিউজের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আরও একাধিক সংবাদমাধ্যম। দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, “বিশ্বের ৭৫ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।” একই সূত্রে দৈনিক ইনকিলাবও লিখেছে, “বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি, যার মধ্যে বাংলাদেশের নামও রয়েছে।” এছাড়া দৈনিক জনকণ্ঠ, ঢাকা মেইল তাদের প্রতিবেদনে “সব ধরনের” মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়টি উল্লেখ করেছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড রয়টার্স-এর বরাতে তাদের প্রতিবেদনের শিরোনামে লিখেছে, “অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা স্থগিতের কার্যক্রম শুরু ২১ জানুয়ারি।” রয়টার্স ও ফক্স নিউজের সূত্র ধরে সংবাদমাধ্যমটি একটি ভিডিও প্রতিবেদনও প্রকাশ করে। তবে ঠিক কোন ধরনের ভিসা তা শিরোনামে উহ্য রাখা হয়েছে। দৈনিক আজাদীর শিরোনাম, “বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫ দেশের ভিসা বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র।” কোন ধরনের ভিসা তা গণমাধ্যম দুইটি তাদের শিরোনাম বা প্রতিবেদনে কোথাও উল্লেখ করেনি।

একইভাবে ভিসার ধরন অস্পষ্ট রেখেই কখনো শুধু ফক্স নিউজ (, , , , ), কখনো রয়টার্স ও ফক্স নিউজের (, ) বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। অন্যদিকে রাইজিংবিডি.কম তাদের প্রতিবেদনে ফক্স নিউজের পাশাপাশি ‘দ্য ইউএস সান’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণকে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণাটি সব ধরনের ভিসার জন্য প্রযোজ্য কি না তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে কালের কণ্ঠ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সহকারী ও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফক্স নিউজের প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে শেয়ার করার বিষয়টিও জানায় এই গণমাধ্যম।

কী বলছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের ‘ইউএস ভিসা নিউজ’ সেকশনে এ বিষয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদ খুঁজে পায় ডিসমিসল্যাব। ১৪ জানুয়ারি হালনাগাদ করা এই সংবাদে বলা হয়েছে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন অভিবাসীদের অবশ্যই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। তারা যেন কোনোভাবেই আমেরিকান জনগণের ওপর আর্থিক বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের সব নীতি, বিধি ও নির্দেশনা পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা করছে, যাতে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সহায়তা গ্রহণ করতে না পারে এবং রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে।”

৭৫ টি দেশের তালিকা দিয়ে বলা হয়েছে, “২১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে নিম্নলিখিত দেশগুলোর যেসব নাগরিক অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের সব ধরনের ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত করছে পররাষ্ট্র দপ্তর।” অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত হওয়া  এই ৭৫টি দেশের তালিকায় আছে বাংলাদেশ।

এতে আরও জানানো হয়, এই নির্দেশনার ফলে দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবে, ভিসার জন্য সাক্ষাৎকার দিতে পারবে, এমনকি আবেদনকারীদের জন্য সাক্ষাৎকারের সময়সূচি নির্ধারণের কাজও অব্যাহত রাখবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তবে এই স্থগিতাদেশ জারি থাকা পর্যন্ত কোনো অভিবাসী ভিসা প্রদান করা হবে না। তবে বিদ্যমান বৈধ ভিসা বাতিল হচ্ছে না এবং এটি অভিবাসী নয় (নন-ইমিগ্র্যান্ট), এমন ভিসার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ১৪ জানুয়ারি বলা হয়, “পররাষ্ট্র দপ্তর এমন ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করতে যাচ্ছে, যেসব দেশের অভিবাসীরা অগ্রহণযোগ্য হারে আমেরিকান জনগণের দেওয়া জনকল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ করে। যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ না নিশ্চিত করতে পারছে, নতুন অভিবাসীরা আমেরিকান জনগণের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।” মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট তার ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট এটি পরবর্তীতে রিপোস্ট করেন।

ভুলের সূত্রপাত যখন ফক্স নিউজ-রয়টার্স 

বিভ্রান্তি ছড়ানো গণমাধ্যমগুলোকে প্রধানত দুটি সূত্র উল্লেখ করতে দেখা যায়—  মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজ ও ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ৩১টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সবগুলোর সূত্রই ফক্স নিউজ, ১৩টির সূত্র রয়টার্স। শুধু একটি ক্ষেত্রে দ্য ইউএস সান এর উল্লেখ আছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম (, ) জানিয়েছে, ফক্স নিউজ পররাষ্ট্র দপ্তরের এ সংক্রান্ত এক নথির বরাতে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সবার দেশ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রথমে ফক্স নিউজ এ খবর প্রকাশ করার পর রয়টার্সও বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ফক্স নিউজের “সব ধরনের ভিসা” স্থগিতের দাবি খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, মার্কিন এই সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনের শিরোনামে লিখেছে— “সোমালিয়া, রাশিয়া ও ইরানসহ ৭৫টি দেশের সকল ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র”। যদিও শিরোনামের পর সংবাদ সূচনাতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে সব ধরনের ভিসা নয়, কেবল অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। প্রথমবার ফক্স নিউজ ডিজিটাল পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি স্মারক নথি দেখার দাবি করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অন্যদিকে রয়টার্সের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের প্রতিবেদনের শিরোনামেই অভিবাসী ভিসার উল্লেখ আছে। রয়টার্স শিরোনামে লিখেছে, “৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে ট্রাম্প প্রশাসন”। 

তবে ডিসমিসল্যাব দেখতে পায়, ফক্স নিউজ ও রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর আরও দুইবার সম্পাদনা করা হয়েছে। ফক্স নিউজ তাদের প্রতিবেদনের প্রথম সংস্করণে শিরোনামের পাশাপাশি সংবাদ সূচনাতেও সকল ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল। যা পরের সংস্করণে সম্পাদনা করে “অভিবাসী ভিসা” করা হয়। তবে শিরোনামে “সকল ভিসা” অপরিবর্তিত থেকে যায়।

ফক্স নিউজকে মূল সূত্র ধরে করা রয়টার্সের প্রতিবেদনের প্রথম সংস্করণেও একই ভুল পাওয়া যায়, যার শিরোনাম ছিল, “আগামী সপ্তাহ থেকে ৭৫ দেশের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজের রিপোর্ট”। প্রতিবেদনে রয়টার্স লিখেছে, “স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি নথির বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ বুধবার জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৭৫টি দেশের দর্শনার্থীদের জন্য সকল প্রকার ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করছে।” প্রতিবেদনটির পরবর্তী সংস্করণে ‘অভিবাসী’ শব্দটি যোগ করে নতুন শিরোনাম দেওয়া হয়, “৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্র দপ্তর”। ফক্স নিউজের বরাতে লেখা প্রতিবেদনে দ্য ইউএস সানও ‘অভিবাসী ভিসা’ উল্লেখ করেনি।

ফক্স নিউজ ও রয়টার্স পরবর্তী সংস্করণে ভুল সংশোধন করলেও এই প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহের সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্তত ৩১টি গণমাধ্যম নিজেদের তথ্য হালনাগাদ করেনি।  

অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ‘ক্যারোলিন লেভিট’ তার ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অভিবাসী ভিসা’ স্থগিতের বিষয়ে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি (দ্য এসোসিয়েটেড প্রেস) এর প্রতিবেদন রিপোস্ট করেন। এতে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্র এমন ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করতে যাচ্ছে, যাদের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি বা জনসহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন বলে বিবেচিত হয়েছে।” তবে এর ৪ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট আগেই তিনি ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদন রিপোস্ট করেছিলেন যাতে লেখা, যুক্তরাষ্ট্র সোমালিয়া, রাশিয়া এবং ইরানসহ ৭৫টি দেশের জন্য সকল প্রকার ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করেছে।”

অর্থাৎ, বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের ভিসা স্থগিত করেছে বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও তা ভুল। ৭৫টি দেশের জন্য শুধু অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত হয়েছে, সব ধরনের ভিসা নয়। মার্কিন গণমাধ্যম, ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা, সরকারি মুখপাত্র— সবকিছুর সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রসঙ্গে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর বিভ্রান্তি ছড়ানোর মূল কারণ রয়টার্স ও ফক্স নিউজের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্যকে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই গ্রহণ করা। এটি মূলত গণমাধ্যমগুলোর দুর্বল যাচাই ব্যবস্থার দিকেই নির্দেশ করে। দ্রুত গতিতে সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে সংবাদ যাচাই না করার কারণে এতগুলো গণমাধ্যম একসঙ্গে ভুল ‘সংবাদ’ পরিবেশনা করে বসেছে। রয়টার্স হ্যান্ডবুক অব জার্নালিজম থেকেই যদি বলতে হয়, “নির্ভুলতা ও ভারসাম্য সবসময় গতির চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে।” গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখতে ভুল তথ্য উপস্থাপনের চেয়ে দেরিতে হলেও সঠিক তথ্য পরিবেশন করা জরুরি।

আরো কিছু লেখা