
ফেনীর দাগনভূঞায় জামায়াত নেতা মাস্টার আবদুর রহিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ব্যালট পেপার উদ্ধার এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবি ছড়িয়ে পড়ছে একাধিক সামাজিক মাধ্যমে। তবে ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ব্যালট পেপার উদ্ধার কিংবা তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেনি।
দৈনিক আজকের কন্ঠ নামের এক ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এক ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়েছে, “দাগনভূঞায় জামায়াত নেতার বাসায় ব্যালট:পুলিশের তল্লাশির জেরে থানা ঘেরাও।” একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী একই ভিডিও শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লেখা, “ফেনী ৩ আসনে উপজেলা জামায়াত নেতা আব্দুর রহিমের বাসায় ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে, গ্রেফতারের পর থানার সামনে মানুষ।”

কিওয়ার্ড সার্চে ঐ ঘটনায় প্রকাশিত একাধিক গণমাধ্যম প্রতিবেদন পাওয়া যায়। জানা যায়, ফেনীর দাগনভূঞায় জামায়াতের কর্মী মাস্টার আবদুর রহিমের বাড়িতে ব্যালট পেপার রয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তার প্রত্যাহারের দাবিতে থানায় অবস্থান নেয় জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ ঘটনায় সোনাগাজী ও দাগনভূঞা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান জানান, একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেই অভিযান পরিচালনা করে। তবে অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। এ অভিযানের কারণে আবদুর রহিম পুলিশের ওপর মনঃক্ষুণ্ন হলে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষমাও চান তিনি।
অর্থাৎ, দাগনভূঞায় জামায়াত কর্মী মাস্টার আবদুর রহিমের বাড়ি থেকে ব্যালট পেপার উদ্ধার এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবিটি সঠিক নয়।