স্টিভ রেমা

ফেলো, ডিসমিসল্যাব
গাজার শিশুদের এই ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
Ft image

গাজার শিশুদের এই ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি

স্টিভ রেমা
ফেলো, ডিসমিসল্যাব

কাদামাখা মাটিতে একটি তাঁবুর ভেতরে ঘুমানো শিশুদের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে (,,,,,,)। দাবি করা হচ্ছে, ছবিটি ফিলিস্তিনের শিশুদের ছবি। তবে ফিলিস্তিনভিত্তিক একটি সংস্থার যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

দুইটি শিশু কাদামাখা মাটিতে পাশাপাশি ঘুমিয়ে আছে এমন ছবি দিয়ে বাংলাদেশের একজন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “সহ্য হয়? এ দৃশ্য দেখার পরও আমি কীভাবে শান্তিতে ঘুমাতে পারি? ইয়া রাব্ব! মাযলুমদের জন্য আপনিই যথেষ্ট হয়ে যান। তাদের হয়ে আপনিই প্রতিশোধ নিয়ে নিন।” সাথে লেখা আছে, ফ্রি প্যালেস্টাইন। 

উক্ত ছবিটির সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স সার্চ করে একটি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্যালেস্টাইনের তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘কাশিফ’-এর সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, দুটি শিশুর শুয়ে থাকার ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি। ছবির একাধিক বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণ করে এআইয়ের ব্যবহার করার কথা নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠানটি। 

এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের শিশুদের ছবি প্রচারের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ঘুমন্ত শিশুদের এই ছবিগুলো ছাড়াও বিগত বছরে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যা পরবর্তীতে ভাইরাল হয়েছে। 

এআই দিয়ে তৈরি ছবির বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা পেতে উপায় বলেছেন ডেভিড ডোয়েরম্যান। বাফেলো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক এপি নিউজকে জানান, এআইয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের আরও ভাল প্রযুক্তি এবং আরও ভাল উপায় বের করতে হবে। ডিজিটাল সাক্ষরতা প্রোগ্রামগুলোতে অধিক বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে যাতে ব্যবহারকারীরা কল্পনা থেকে সত্য বের করতে পারে। 

তিনি বলেন “এই ডিপফেক শনাক্ত করা এবং মুছে ফেলার চেষ্টা করা আর সমাধান নয়। আমাদের আরও বড় সমাধান বের করতে হবে।”

আরো কিছু লেখা