
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে একাধিক গণমাধ্যমের আদলে তৈরি ফটোকার্ড প্রচার হতে দেখা গেছে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল, পেজ এবং গ্রুপ থেকে। নির্বাচন বর্জন, জোট ছাড়ার দাবি ও নির্বাচনী ফলাফলের দাবিতে প্রচার করা হয়েছে এ ফটোকার্ডগুলো।
তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রচারিত এ ফটোকার্ডগুলোর মধ্যে একাধিক ফটোকার্ড ভুয়া ছিল। এ ফটোকার্ডগুলো প্রকৃত গণমাধ্যমগুলোর ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি।
ফেসবুকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার লোগোযুক্ত দুইটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে। উভয় ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, বরগুনা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমেদ তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। উভয় ফটোকার্ডে তারিখ হিসেবে “১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া দাবি এবং প্রচারিত গণমাধ্যমের কার্ড দুটি ভুয়া। আমার দেশ পত্রিকা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করেছে, আমার দেশের নামে ভুয়া ফটোকার্ড দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দৈনিক যুগান্তরের অফিসিয়াল পেজেও এমন কোনো কার্ড পাওয়া যায়নি। এছাড়া জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমেদ তার নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত ফেসবুক পেজেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কোনো উল্লেখ নেই। বরং নির্বাচনের দিল ফেসবুক পেজে একাধিক লাইভ পোস্টে তিনি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে গুজব থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দেন।
ফেসবুকের একটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে দাবি করা হয়, জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। ফটোকার্ডটির তারিখ হিসেবে “১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” লেখা ছিল। নাহিদ ইসলামের ছবি সংযুক্ত ফটোকার্ডটির ক্যাপশনে বলা হয়, “জামাত ভন্ড, প্রতারক ও দেশ বিরোধী চক্র- জামায়াতের কোনো অপরাধের দায় নেবে না এনসিপি, জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।” আরেকটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকেও ফটোকার্ডটি পোস্ট করা হয়।

তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ফটোকার্ডটি ভুয়া। প্রচারিত ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যমুনা টিভির ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে লেখার ফন্ট এবং আকারেও কিছু অমিল পাওয়া যায়। যুগান্তরের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে ১১ ফেব্রুয়ারিতে কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়াও জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট ছাড়ার ঘোষণা নিয়ে কোনো গণমাধ্যমেই সংবাদ পাওয়া যায়নি।
ফেসবুকে যমুনা টিভির লোগো ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছিল, যেখানে দাবি করা হয় বিএনপি নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। ফটোকার্ডের ক্যাপশনে বলা হয়, “মধ্যরাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।”

ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা গেছে, যমুনা টিভি এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি এবং তাদের অফিসিয়াল পেজ বা ওয়েবসাইটেও এ সংক্রান্ত কিছু নেই। বরং একাধিক সংবাদমাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দেওয়ার পর বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।
অধিকতর যাচাইয়ে দেখা যায়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে একাধিক (১, ২) গণমাধ্যম “জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি” শিরোনামে ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে, যার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া ফটোকার্ডের মিল রয়েছে। তবে গণমাধ্যমের প্রচারিত ফটোকার্ডগুলোতে “নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত” এর উল্লেখ নেই।
ফেসবুকে সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের বিশেষ সহকারীকে জাল ভোটের বাক্সসহ আটক করেছে পুলিশ। ক্যাপশনে লেখা, “এই মুহূর্তে ব্রেকিং নিউজ।” ফটোকার্ডটির মাঝামাঝি তারিখ হিসেবে “১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” উল্লেখ রয়েছে। ফেসবুকের একাধিক (১, ২, ৩) গ্রুপ থেকেও একই দাবিতে ফটোকার্ডটি প্রচার করতে দেখা যায়।
তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ড যুগান্তর প্রকাশ করেনি। প্রচারিত ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দৈনিক যুগান্তরের ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে লেখার ফন্ট এবং আকারেও কিছু অমিল পাওয়া যায়। সংবাদমাধ্যমটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে প্রচারিত দাবি সম্পর্কিত কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে দেখা যায়নি।

বিস্তারিত যাচাইয়ে প্রচারিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা যায় একই ছবি ব্যবহার করে ভিন্ন শিরোনামে ১২ ফেব্রুয়ারি যুগান্তরের ফেসবুক পেজে একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়েছিল। কার্ডের শিরোনাম ছিল, “আশুলিয়ায় ভোট কেন্দ্র দখ/লচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপির ১৩ নেতাকর্মী আট/ক”। তারেক রহমানের বিশেষ সহকারী জাল ভোটের ব্যালট বাক্সসহ আটকের বিষয়েও কোনো সংবাদ প্রতিবেদন খুঁজে পায়নি ডিসমিসল্যাব।
ফেসবুকের একটি গ্রুপ থেকে সংবাদমাধ্যম বাংলাভিশনের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের তাণ্ডব চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। ফটোকার্ডটির নিচে বামে তারিখ হিসেবে “১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” উল্লেখ রয়েছে।

তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ড বাংলাভিশন প্রকাশ করেনি। সংবাদমাধ্যমটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে প্রচারিত দাবি সম্পর্কিত কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে দেখা যায়নি। বিস্তারিত যাচাইয়ে প্রচারিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা যায় একই ছবি ব্যবহার করে ভিন্ন শিরোনামে ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজে একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়েছে। কার্ডের শিরোনাম ছিল, “ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের স্বাক্ষরিত ২৩ ফলাফল শিট জব্দ।” এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাভিশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝিনাইদহ-৪ আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর করা ২৩টি ফলাফল শিট উদ্ধার ও জব্দের ঘটনা ঘটেছে। ১১ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ৮টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর কেন্দ্র—সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ফেসবুকে সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়েছিল। মির্জা আব্বাসের ছবি সংযুক্ত ফটোকার্ডে লেখা হয়, “জয়ের ব্যাপারে এখনো আশাবাদী, নির্বাচন বয়কট করবো কিনা রেজাল্টের পর সিদ্ধান্ত নিবো: মির্জা আব্বাস।” ফটোকার্ডে কোনো তারিখ উল্লিখিত ছিল না।

ফেসবুকের একটি গ্রুপ থেকে একই সংবাদমাধ্যমের লোগোযুক্ত আরেকটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। ফটোকার্ডে লেখা হয়, “দুই শতাধিক জাল ভোতের বাক্স নিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে ইউনিয়ন ছাত্রদল। ধরা খেয়ে বললেন তারেক রহমানের নির্দেশে করছেন।” ফেসবুকের একাধিক (১, ২) গ্রুপ থেকেও একই দাবিতে ফটোকার্ডটি প্রচার করতে দেখা যায়।

তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এমন কোনো ফটোকার্ড চ্যানেল টোয়েন্টিফোর প্রকাশ করেনি। সংবাদমাধ্যমটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের বক্তব্য এবং জাল ভোটের বাক্স নিয়ে ছাত্রদল কর্মীর ধরা পড়ার দাবি সম্পর্কিত কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে দেখা যায়নি।
খাগড়াছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমার পক্ষে জাল ভোট দিতে গিয়ে ইউপিডিএফ এর একজন সক্রিয় কর্মী আটক হয়েছে দাবিতে আরটিভির একটি ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছিল। ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “খাগড়াছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা পক্ষে জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক ১।” ফটোকার্ডটির উপরে বামে আরটিভির লোগো দেখা যায়, তবে কোনো তারিখ উল্লিখিত নেই। ক্যাপশনে লেখা, “খাগড়াছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা পক্ষে জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক হয়েছে এক ইউপিডিএফ সক্রিয় কর্মী।”

তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, আরটিভির ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং ছবিটিও ভিন্ন ঘটনার। ফটোকার্ডে থাকা ছবিটি রিভার্স সার্চ করে সংবাদমাধ্যম সারাবাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের ২০২৪ সালের দুটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। দুটি প্রতিবেদনেই একই ছবি ব্যবহার করে জানানো হয়েছে, ছবিটি মোটরসাইকেল চোরচক্রের একজন সদস্য আটক হওয়ার ঘটনার।
এছাড়াও আরটিভির অনলাইন ইনচার্জ আবু আজাদ ডিসমিসল্যাবকে জানান, সংবাদমাধ্যমটি এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি।
ফেসবুকে আমার দেশ পত্রিকার লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড দিয়ে দাবি করা হয় যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন যশোর-২ জামায়াতের প্রার্থী ড. মসলেউদ্দীন ফরিদের।” ক্যাপশনে বলা হয়েছে, “যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ব্যাপক অনিয়ম, এজেন্ট বের করে দেওয়া ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মসলেউদ্দীন ফরিদ।”

তবে ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, আমার দেশ এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। পত্রিকাটির সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনাম ফটোকার্ডটি আমার দেশ পত্রিকার নয় বলে নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত ফেসবুক পেজেও ভোট বর্জন সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।
ফেসবুকে “বাঁশের কেল্লা” নামের গ্রুপ থেকে সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “বুথফেরত জরিপ: ঠাকুরগাঁও ১ আসন বিএনপি মহাসচিবের চেয়ে ৯ শতাংশ ভোটে এগিয়ে সাবেক শিবির সভাপতি।” ফটোকার্ডের নিচে বামে তারিখ হিসেবে “১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” লেখা ছিল।
ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। প্রচারিত ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে লেখার ফন্ট এবং আকারেও কিছু অমিল পাওয়া যায়। সংবাদমাধ্যমটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে এরকম কোনো ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।

“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী” নামের ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংবাদমাধ্যম যমুনা টিভির লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “সালাহউদ্দিন পেয়েছেন ৩৯ শতাংশ, ৫৪ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে জামায়াতের ফারুক।” ফটোকার্ডের নিচে ডানে তারিখ হিসেবে “১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬” উল্লিখিত ছিল।
ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, যমুনা টিভিও এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। সংবাদমাধ্যমটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে এরকম কোনো ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।
ফেসবুকে “বঙ্গমিত্র” নামের একটি পেজ থেকে যমুনা টিভির লোগোযুক্ত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। কার্ডে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী তারেক রহমানের আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় যুবদল নেতাকে বহিষ্কার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। ফটোকার্ডের ভেতরে লেখা, “তারেক রহমানের আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, যুবদল নেতা বহিষ্কার।” পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা, “মুনাফিক বিম্পি কাফের থেকেও ভয়ংকর।”

তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা গেছে, এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি। প্রচারিত ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যমুনা টিভির ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে লেখার ফন্ট এবং আকারেও কিছু অমিল পাওয়া যায়। যমুনা টিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কিত কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে দেখা যায়নি।